মোবাইল ব্যাংক Apps Bangladesh

mobile bank

সভ্যতার এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে এখন পুরো পূথিবী এগিয়ে চলেছে। থেমে নেই কোনোকিছু। এখন প্রযুক্তির ডেভুলোপমেন্ট এতটাই দ্রুত হচ্ছে যে এখন আমাদেরকে আর কস্ট করে গিয়ে কারও কাছে কোনো খবর পৈছেদিতে হয় না। এখন পূথিবীর যেকোনো প্রান্ত আমাদের হাতের তালুর মতো চেনা  জানা হয়ে এসেছে। এ সবটাই সম্পূর্ণ হয়েছে টেকনোলোজির উন্নয়নের কারণে।

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলেছে আমাদের দেশ। বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করে দিয়েছে রুপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ। এর মোতাবেক কাজ এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ সরকার।

এ ডিজিটালাইজেশন এর পথ ধরে এগিয়ে এসেছে অগুণিত সম্ভাবনা। এর সম্ভাবনাগুলোর সধ্যে সবথেকে সারা যোগানো বিষয়টি হলো মোবাইল ব্যাংক।

মোবাইল ব্যাংক এর ধারণাটা এসেছে ইউরোপিয়ানদের থেকে। ১৯৯৯ সালে সর্ব প্রথম ইউরোপিয়ারা এ ধারণার জন্ম দেয়। ইউরেপিয়ানদের কিছু ব্যাংক এ পদ্বতি চালু করে। পরবর্তি তে এ ধারণা প্রবাহিত হয় আর চারিদিকে ছরিয়ে পরে।

আর বাংলাদেশে শুরুর দিকে যে ব্যাংক গুলো নিজেদের মোবাইল ব্যাংক হিসেবে কাজ শুরুকরে সেগুলো হলো:

Table of Contents

বিকাশ বা ব্রাক ব্যাংক (BRAC Bank)

bKash App

বিকাশ বা ব্রাক ব্যাংক হলো একটি মোবাইল ব্যাংক পদ্বতি যার মাধ্যমে আমরা টাকা পাঠাতে পারি আবার নিজেরা রিসিভ করতে পারি নিজের মোবাইল থেকে।

বিকাশ মোবাইল ব্যাংক আপনারা নিজের ফোনে ব্যবহার করতে পারবেন। এর আপনাতে তাদের কোড ডায়েল করে আপনার একাউন্টে যেতে হবে। এ কোডটি হলো *২৪৭# এ কোডটি ডায়েল করার পর আপনি আপনার একাউন্ট এ পৈছে যাবেন।

আর এখান থেকে আপনারা সেন্ট মানি, ক্যাম ইন, ক্যাশ আউট, রিসিভ মানি, মোবাইল রিচার্জ, আবার অন্যের মোবাইল রিচার্জ করে দিতে পারবেন।

বিকাশ লেনদেন অপশন আর ফি

বিকাশ মোবাইল ব্যাংক থেকে লেনদেন করতে হলে আপানাকে কিছু ফি দিতে হয়। আগে এ ফি এর পরিমান খুবি কম ছিলো কিন্তু বর্তমানে এ ফি এর পরিমান তারা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি নিচে বিকাশে এভেলাবল প্রত্যেক ট্রানজেকশনে কত টাকা ফি কাটে তা দিয়ে দিলাম।

বিকাশে যে অপশন গুলো দেখাযায় সেগুলো হলো

  • সেন্ড মানি ৫ টাকা
  • সেন্ড মানি টু ননবিকাশ
  • মোবাইল রিচার্জ
  • পেমেন্ট
  • ক্যাশ আউট
  • পে বিল
  • মাই বিকাশ
  • রিসেট পিন

এ অপশন গুলোর সাহায্যেই বিকাশ মোবাইল ব্যাংক কাজ করে থাকে। অথাৎ একজন ইউজার এ অপশন গুলোই নিজের মেনুতে এবেলাভল পায়।

বিকাশ সেন্ড মানি ফি

বিকাশে সেন্ড মানি অপশনের জন্য আপনাকে *২৪৭# ডায়েল করে ১ ডায়েল করতে হবে। তার পর মোবাইল নাম্বার, টাকার এমাউন্ট, পিন দিয়ে কনফর্ম করে দিলেই আপনার টাকা সেন্ড হয়ে যাবে আর সাথে সাথে বিকাশ আপনার একাউন্ট থেকে ৫ টাকা কেটে নিবে। অ্যাপ থেকেও টানজেক শনের খেত্রেও প্রতি সেন্ড মানিতে ৫ টাকা কেতে নিবে।

আপনি এবার কাউকে মাত্র ১০০ টাকা সেন্ড করলেন। এ ক্ষেত্রে ও আপনার ছার নেই। আপনি টাকা পাঠানোর সাথে সাথে আপার একাউন্ট থেকে বিকাশ মোট ১০৫ টাকা কেটে নিবে।

আবশ্য এখন আপনি চাইলে সেন্ডমানি ফ্রিতে করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে কিছু শর্ত আছে। বিকাশ টু বিকাশ সেন্ডে মানি ফ্রিতে করার জন্য আমাদের বিকাশ মোবাইল ব্যাংক নিয়ে লেখা এ ব্লগটি পড়তে পারেন। এতে আমরা জানিয়েছি কি ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার না করে টাকা একদম ফ্রিতে পাঠাবেন।

বিকাশ সেন্ড মানি টু নন বিকাশ

বিকাশ সেন্ড মানি টু নন বিকাশ এর ফি বিকাশ সেন্ড মানি টু বিকাশ একই। যার মানে ফি ৫ টাকা। এক্ষেত্রে যিনি টাকা রিসিভ করেছেন বিকাশ একাউন্ট ছারা ৭২ ঘন্টার বিতরে এস এম এস এ আসা লিংক থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে একাউন্ট কারার কিছু সময় পর নিজের একাউন্টে টাকা পেয়ে যাবে।

এখানে মজার বিষয় হলো এ ৭২ ঘন্টা সময় এর ভিতরে আপনি চাইলে টানজেকশন ক্যান্সেল করে দিতে পারবে। আর আপনার টাকার আপনার একাউন্টে ফেরত চলে আসবে।

বিকাশ মোবাইল রিচার্জ ফি

বিকাশ থেকে মোবাইল রিচার্জ নিতে *২৪৭# ডায়েল করে ৩ দেওয়ার পর যে নাম্বারে রিচার্জ নিবেন তা লেখে এমাউন্ট দিয়ে পিন দিয়ে কনফর্ম করার সাথে সাথে আপনার রিকুয়েন্ট করা নাম্বারে টাকা রিচার্জ হয়ে যাবে।

এর মোবাইল রিচার্জ এর জন্য আপনার একাউন্ট থেকে কোনো টাকা কাটা হবে না। যার মানে বিকাশ থেমে মোবাইল রিচার্জ একদম ফ্রি।

বিকাশ পেমেন্ট ফি

বিকাশের পেমেন্ট অপশনের জন্য আপনাকে *২৪৭# ডায়েল করার পর ৪ দেওয়ার পর ক্রমে সব ধাপ পেরোনোর পর আপনার পেনেন্ট সাক্সেস হবে।

বিকাশ থেকে মানি পেমেন্ট কারাটা একদম ফ্রি। আপনি একদম ফ্রিতে বিকাশ থেকে যে কোনো এমাউন্টের মানি পেমেন্ট কারতে পারবেন।

বিকাশ ক্যাশ আউট ফি

বিকাশ থেকে ক্যাশ আউট ২ ভাবে করা যায়। একটি হলো বিকাশ এজেন্ট আর একটি হলো বিকাশ ‍এ টি এম। উভই ক্ষেত্রেই ফি দিতে হয়।

বিকাশ থেকে ক্যাশ আউট এ জন্য প্রতি ১০০ টাকায় ফি ২ টাকা প্রায় আর ৫০০ তে ১০ টাকা আর ১০০০ এর ফি ২০ টাকা। এ ফি আপনার পকেট থেকে দিতে হয় না। এ ফি যে টাকা পাঠায় তাক আন্দাজ করে পাঠাতে হয়। প্রতি ১০০ তে ২ টাকা আর ৫০০ তে ১০ টাকা। বিকাশ থেকে প্রতি হাজারে ২০ টাকা কাটা হয়।

বিকাশ পে বিল ফি

বিকাশ পে বিল অপশনের জন্য *২৪৭# ডায়েল করে ৬ চেপে দিলেই আপনার সামনে পে বিল অপশন চলে আসবে। সব নিয়ম মতো কাজ শেষ হলে আপনার বিল পে হওয়ার সাথে সাথে আপনার একাউন্ট থেকে ফি এর টাকা সাথে বিল এর এমাউন্ট কেটে নেওয়া হবে।

বিকাশ থেকে পে বিল এর জন্য আপনার একাউন্ট থেকে ১০ টাকা ফি কেটে নেওয় হবে। আর বিশেষ অফারের সময় কম এমাউন্টও কেটে নিতে পারে আবার নাও কাততে পারে।

বিকাশ মাই বিকাশ

বিকাশে মাই বিকাশ অপশন থেকে আপনি নিজের ট্রান্জেকশনের তালিকা দেখতে পাবেন। আপনার লেনদেন, আপনার স্টেমেন্ট এইসব বিষয়।

বিকাশ রিসেট পিন

বিকাশ রিসেট পিন এর কাজ হলো আপনি যখন আপনার সুরক্ষার জন্য নিজের একাউন্টের পিন চেন্জ করতে চাইবে তথন এখান থেকে চেন্জ করবেন। এখানে যাওয়ার পর আপনার কাছে আপনার বিকাশে আগের পিন চাইবে আর তার পর আপনার কাছে নতুন পিন চাইবে।

এর সাথে সাথেই আপনার পিন চেন্জ হয়ে যাবে।

বিকাশ বা ব্রাক ব্যাংক এর আরও কিছু

বিকাশ বা ব্রাক ব্যাংক তার পথ চলা শুরু করে ২০০০ সালের মাঝের সময়ে। দুই ভাই যাদের নাম ছিল কামাল কোয়াদার আর ইকবাল কেয়াদার তারা মিলে এ প্রগ্যামটি চালু করে ঠিক যখন ইমারজেনিং মার্কেট যেমন ফিলিপাইন, কেনওয় এ প্রগ্যামটি বাদ দিয়ে দিচ্ছিল।

বিকাশ লন্চ করার হয় জুলাই ২০১১ সালে। আর এখন ২০২১ সাল চলছে দিনে দিনে বিকাশ চাহিদা বেড়ে আসছে। এক হিসাবে দেখা গেছে ২২% বাংলাদেশী এডাল্ট প্রতিদিন প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন ট্রান্সফরমেশন করে থাকে। তাছারা এক সম্মেলনে বিকাশকে সেরা মোবাইল ব্যাংক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এশিয়ামানি মেগাজিন ডিক্লেয়ার করেছে বিকাশকে সবচেয়ে সেরা ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংক হিসেবে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক (Dutch Bangla Bank)

Rocket App

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক যার একসময় খুব ডিমান্ড ছিল কিন্তু এখন তা অনেকটাই কমে গেছে। মানুষ এখন বেশীর ভাগই বিকাশ ব্যবহার করে। তবুও এর ডিমান্ড এখনও সন্তুষ জনক।

ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম আত্নপ্রকাশ করে ১৯৯৫ সালে। আর নিজেদের শুরুর কিছু সময় পরই তারা প্রকাশ করে ডাচ বাংলা ব্যাংক মোবাইল ব্যাংক সুযোগ।

পরবর্তিতে ডাচ বাংলা ব্যাংক নিজেদের মোবাইল ব্যাংককে একটি নাম দেয় আর সটি হলো রকেট।

সহজ কথায় বলতে গেলে বিকাশের থেকে বেশী সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক এ। কারণ মূলত হলো ডাচ বাংলা ব্যাংক নিজেই একটি সক্রিয় ব্যাংক তবে বিকাশ একটি ব্যাংক এর অংশ মাত্র। আপনারা *৩২২# ডায়ের করে আপনাদের রকেট একাউন্ট এক্সেস করতে পারবেন।

ডাচ বাংলা ব্যাংক এর ন্যাক্সাস পে

অ্যাপ এখান থেকে ডাউনলোড করে নিত পারবেন। ন্যাক্সাস পে অ্যাপটি হাজির হয়েয়ে আরও কিছু ফিচার নিয়ে। আর দুত টাজেকশন এর প্রসেস নিয়ে। ন্যাক্সাস পে সাধারণত ব্যাংক কার্ড এর মাধ্যমে কাজ করে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক লেনদেন অপশন আর ফি

ডাচ বাংলা ব্যাংক এর প্রতিটি ট্রানজেকশনে একটি ধরা এমাউন্টের ফি দিতে হয়। আর যেমনটি বলেঠি ডাচ বাংল ব্যাংক বা রকেট এ বিকাশের থেকেও বেশী ফেসিলিটি থাকে তালিকায় সেগুলো নিয়েও আলোচনা কররো।

*৩২২# এ ডায়েল করে মোবাইল ব্যাংক একাউন্টে ডুকার পরে যে অপশন গুলো আপনার সামনে আসে সেগুলো হলো:

  • বিল পে
  • সেন্ড মানি
  • টপ আপ/ টেলেকো
  • ব্যাংক এ/এসি
  • মাই এসি
  • রেমিটেন্স
  • ক্যাশ আউট
  • মারচেন্ট পে
  • ট্রল কার্ড
  • লগ আউট

এখানে শুধুমাত্র মেনুতে যে অপশন গুলো দেখায় তার লিস্ট দিয়েছি আপনারা রকেটের ৪ নাম্বার অপশনে ভিতরে আরও কতগুলো অপশন আছে সেগুলোর সম্পর্কে বলিনি।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক বিল পে ফি

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংকে বিল পে অপশনে যাওয়ার জন্য আপনাকে *৩২২# ডায়েল করে মেনুতে যে অপশন গুলো আছে সেগুলো থেকে ১ দিয়ে রিপ্লে করলেই আপনার বিল পে করার অপশন চলে আসবে।

রকেট বা ডাট বাংলা ব্যাংক এর বিল পে একদম ফ্রি। সুতরাং আপনি চাইলে অতি সহজে আপনার বিদ্যুৎ বিল, ইন্টারনেট বিল এর টাকা পরিশোধ করতে পারবেন তাও অবার বিনা কোনো ফি তে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক সেন্ড মানি ফি

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংকে সেন্ড মানে অপশনে যাওয়ার জন্য আপনাকে আবার আগের মতো *৩২২ এ ডয়েল করে আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে সেন্ট মানি অপশন।

আপনি চাইলে আপনার ককেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাইন্ট থেকে টাকা ‍অন্য একাউন্ট এ ট্রান্সফার করে দিতে পারবেন। আর এর জন্য আপনার প্রতি ট্রান্জেকশনের জন্য আলাদা আলাদা ফি কাটা হবে। তবে এখানে কিছু শর্ত আছে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক টপ আপ/ টেলেকো ফি

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাক টপ আপ অপশনের জন্য আপানক *৩২২# ডায়েল করে তার পর রিপ্লেতে ৩ দিলেই আপনার টপ আপ হয়ে যাবে।

টপ আপ বলতে বোঝায় মোবাইল রিচার্জ। আর মোবাইল রিচার্জ যেকোনো ব্যাংক একাউন্টের জন্য একদম ফ্রি। আর এখানে টপ আপ আপনাকে তাদের থেকে ‍এয়ার টাইম কিনে টপ আপ করতে হয়।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক এ \এসি

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক এ সি হলো এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে আপনি আপনার একউন্টের যাবতিয় সাধারণ কাজ গুলো করে নিতে পারবেন। এ অপশনটির জন্যই রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক বিকাশের থেকে ভিন্ন আর বেশি সুবিধা সেবা পাওয়া যায়।

একাজের জন্য আপনার কোনো ফি দিতে হয় না। এ কাজ একদম ফ্রিতে করা সম্ভব। এখান থেকে আপনি আপনার টাকা যেকোনো ব্যাংকে ট্রান্সফার আবার কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন। আর যেকোনো ব্যাংক থেকে টাকা আপানার মোবাইল ব্যাংক এ ট্রান্সফার করতে পারবেন।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক মাই এসি

এখানে আপনি আপানা মোবাইল ব্যাংকটিতে আপনার স্টেটমেন্ট, আপানার ব্যালেন্স, আপনার একাউন্ট নাম্বার আর পিন চেন্জ এর কাজ করতে পারবেন।

এ মেনুর জন্য আপনাকে *৩২২# ডায়েল করে ৫ দিয়ে রিপ্লে করলেই আপনার সে অপশন গুলো চলে আসবে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক রেমিটেন্স ফি

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট এ আপনার একাউন্টে টাকার এমাউন্ট দেখার জন্য এ অপশণটি ব্যবহার হয়ে থাকে। এ অপশনটিতে যাবার জন্য আপনাকে *৩২২# ডায়েল করে রিপ্লেতে ৬ দিতে হবে। আর পরে পিন দিয়ে কনফরম করে দিলেই আপনার অপশন এসে পরবে।

রকেট বা ডাচ বাংলাতে আপনার রেমেটেন্স আপনি নিয়েনিতে পারবেন। এ অপশনটিও বিকাশ থেকে রকেটকে অনেকাটাই আলাদা করে। এতে আপনার ফি আপনার দেশ অনুসারে কাটবে আর টাকার পরিমাপ অণুসারে কাটবে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক ক্যাশ আউট

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে ক্যাশ আউট ২ ভাবে করা যায় একটা হলো এ টি এম আর একটি হলো এজেন্ট। উভই ক্ষেত্রেই আপনার ফি আপনার টাকার এমাউন্টথেকে কেটে রাখা হয়।

এজেন্ট আর এ টি এম যেভাবেই আপনি ক্যাশ আউট করুন না কেনো আপনার ফি হভে ২০ টাকা। মূলত এটা নির্ভর করে আপনার মান্থলি টানজেকশনের উপর।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক মারচেন্ট পে ফি

রবেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক এ মাচেন্ট পে একদম ফ্রি। এখানে মারচেন্ট পে মানে হলো পেমেন্ট। কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে মারচেন্ট পেতে ফি দিতে হয়। আর তার পরি মানা সাধারণত ১০ টাকা হয়ে থাকে।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক ট্রল কার্ড

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক ট্রল কার্ড সার্ভিসটি একেবারে ভিন্ন একট সার্ভিস যা বিকাশে নেই। এ ট্রল কার্ড সার্ভিসটির জন্য রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক আর বেশী সুবিধা পাওয়া যায়।

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক লগ আউট

রকেট বা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট আপার ডিভাইস থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এটি ডায়েল করেতে হয়। এর জন্য আপনাকে ডাচ বাংলা ব্যাংক এর কোডটি ডায়েল করে সেখান থেকে ০ রিপ্লে দিলেই হয়ে যায়।

মারকেনটাইল ব্যাংক (MBL-Mercantile Bank Limited)

MYCash App

শুরুর দিকে যখন মোবাইল ব্যাংক এর ধারণা বের হতে শুরু করে তখন মোট ৪ টি ব্যাংক নিজেদের মোবাইল ব্যাংক ফেসিলিটি অপেন করে। সেগুলোর মধ্যে মারকেনটাইল ব্যাংক টিও ছিল যুদি তেমন খ্যাতি এখনও পযন্ত মারকেনটাইল মোবাইল ব্যাংক অর্জন করে উঠতে পারেনি।

মারকেনটাইল ব্যাংক তাদের মোবাইল ব্যাংক সাভিস প্রভাইডিং প্রগ্যামটির নাম দিয়েছে মাইক্যাশ। আপনারা চাইলে কোড এর মাধ্যমেও আপানাদের মারকেনটাইল মোবাইল ব্যাংক মাই ক্যাশ এক্সেস করতে পারবেন। মাই ক্যাশ এক্সেস এর কোড *২২৫# । আপনাকে মাই ক্যাশ এক্সেস করার জন্য মাই ক্যাশ এ রেজিস্টেশন করত হবে।

এর জন্য অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপ থেকে রিজিস্টেশন কারা পর আপনারা *২২৫# ডায়েল করে নিজের লেনদেন শুরু করতে পারবেন।

নোট: অ্যাপ থেকে কী ভাবে মোবাইল ব্যাংক রেজিস্টেশন করতে হয় তা যুদি না জেনে থাকেন তবে আমাদের এ ব্লগটি পড়ে দেখতে পারেন। এতে আমরা মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট রেজিস্টেশন করা নিয়ে বলেছি।

ট্রাস্ট ব্যাংক (Trust Bank)

trust Money App

ট্রাস্ট ব্যাংকও সে ব্যাংক গুলোর মধ্যে একটি যেগুলো শুরুর দিকে মোবাইল ব্যাংক এর সার্ভিসটি চালু করেছিল। তবে মারকেনটাইল ব্যাংক এর মতোই এটির মোবাইল ব্যাং আপশন ততটা ভালো নাম পায়নি।

অ্যাপটির ডাউনলোড এর সংখ্যা দেখেই বোঝা যায় এর পপুলারিটি। যাই হোক এটি ব্যাংক হিসেবে ততটা পিছিয়ে নেই মোবাইল ব্যাংক হিসেবে ভালো না করতে পরলেও।

এ ব্যাংটির একটি পদ্বতি অনেকের মতে ঝামেলার আবার অনেকের মতে সুবিধার তা হলো এ ব্যাংকটির মোবাইল ব্যাংকএ আপনি বিকাশ, রকেট বা মারকেনটাইল এর মতো অ্যাপদিয়ে রেজিস্টেশন করতে পারবেন না। আপনাকে আগে তাদের কোনো একটি ব্রানচে গিয়ে প্রয়োজনিয় তথ্য দিয়ে একাউন্ট করতে হবে।

তার পর সে একাউন্ট নাম্বার দিয়ে অ্যাপটিতে রেজিস্টার করে আপনি আপনার সকল কাজ চালাত পারবেন। অ্যাপটির নাম হলো টাস্ট মানি।

এ ব্যাংক গুলোই মোবাইল ব্যাংক ধারণার শুরুতে ছিলো। এদের মধ্যে এখন পযন্ত সম্পর্ণ সফলতার সাথে কাজ করছে বিকাশ আর ডাচ বাংলা ব্যাংক। বাকি ব্যাংক গুলো টিকে থাকলেও এদের মোবাই ব্যাংক অপশনটি ততটা সফলতা পায় নি।

তবে বর্তমানে আরও আনেক মোবাইল ব্যাংক সেবা এসেছে তবুও বিকাশ আর রকেটই এখনও সবচেয়ে বিশী গুরুত্ব পায়। কিন্তু এর গুরুত্ব না পেলেও খানিক জনপ্রিয়তা জিতে নিতে সফল হয়েছে নগদ। তাই আমি এখানে নগদ নিয়েও বলেছি।

নগদ মোবাইল ব্যাংক (Nagad)

nagad
Nagad App

নগদ মোবাইল ব্যাংক অ্যাপ এর ডাউনলোড ৫ মিলিয়নেরও উপরে। নগদ হলো ডাকা বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন পদ্বতি। নগদ এর বিশেষত্ব হলো এখানে আপনার সেন্ড মানি ফ্রি করতে পারবেন।

তাছারা নগদ একাউন্ট কারতে এজেন্ট এর কাছে যেতে হয় না। আপানি *১৬৭# ডায়েল করলেই আপানর রেজিস্টেশন হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে নগদ আপানার সিমটির রেজিস্টেশন এর ডিটেিইল ব্যাবহার করে নিজেদের লিস্টে আপনাদের তালিকা ভুক্ত করার জন্য।

যারকারণে নগদ একটা খুবি সহজ ব্যবহার যোগ্য মোবাইল ব্যাংক পদ্বতি। নগদে থাকা অপশন গুলি হলো:

  • ক্যাশ আউট
  • সেন্ট মানি
  • মোবাইল রিচার্জ
  • পেমেন্ট
  • বিল পে
  • এম এফ আই
  • মাই নগদ

নগদ ক্যাশ আউট ফি

নগদ ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে ধরা হয় ৯.৯৯ টাকা। এটি প্রয়োজ্য হবে আপনি এজেন্ট বা এ টি এন এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট করলে। তবে নগদ অ্যাপ এর ক্যাশ আউট এর জন্য অ্যাপ ব্যবহার এর জন্য।

কিন্তু কোড ব্যবাহারে ক্ষেত্রে ক্যাশ আউট ফি হবে ১২.৯৯ টাকা। আর এ টাকা কাটবে আপনার একাউন্টের টাকা থেকে। বিকাশ ছেরে নগদ ব্যবাহরের কারণ মূলত নগদ এর ক্যাশ আউট ফি।

নগদ সেন্ট মানি ফি

নগদ সেন্ড মানি অপশনের জন্য আপনাদে *১৬৭# ডায়েল করে তার পর ২ রিপ্লেতে দিতে হবে। তবেই আপনার সামনে সেন্ড মানি অপশন খুলে যাবে।

আর নগদ অফার করে একেবারে ফ্রি সেন্ট মানি। নগদ সেন্ড মানির জন্য কোনো ফি কাটে না।

নগদ মোবাইল রিচার্জ ফি

নগদ মোবাইল রিচার্জ এর জন্য আপনাকে *১৬৭# ডায়েল করে তারপর ৩ রিপ্লেতে দিতে হবে। বেস এবার তারা আপনার কাছে আপনার নাম্বার চাইবে, টাকার এমাউন্ট চাইবে আর পিন চাইবে।

নগদ এ মোবাইল রিচার্জ একদম ‍ফ্রী। অনান্য সব মেবাইল ব্যাংক এর মতো মোবাইল রিচার্জ এতেও ফ্রি।

নগদ পেমেন্ট ফি

নগদ পেমেন্ট প্রতি অন্য সব মোবাইল ব্যাংক এর মতোই পেমেন্ট কোনো ফি কাটে না।

নগদ এ পেমেন্ট একদম ফ্রিতে সেন্ট করা যায়।

নগদ বিল পে ফি

নগদ বিল পে মূলত পরিবর্তিত। যার মানে নগদ বিল পে এর ফি শর্তের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে।

নগদ এম এফ আই

নগদ এম এফ আই হলো নগদ এর একটি ভিন্ন ধরনেরর সার্ভিস যা মূলত কম্পানি টানেজেনশনের জন্য প্রয়োজ্য।

নগদ মাই নগদ

নগদ এর মাই নগদ অপশনে আপনারা আপনাদের নিজেদের নগদ মোইল ব্যাংক এ কত টকা আছে বা স্টেটমেন্ট এই সব বিষয় থাকে।

ভিটিমেট অফিসিয়াল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

মোবাইল ব্যাংক নিয়ে শেষ কিছু কথা

আমি মোবাইল ব্যাংক নিয়ে যে কথাগুলো উপরে বেলেছি তার সবি মোবাইল ব্যাংক এর কোড দিয়ে কী ভাবে নিজের লেনদেন গুলো করে নিতে পারবেন তাই নিয়ে।

আপনারা চাইলে এ মোবাইল ব্যাংক অ্যাপ গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমি প্রত্যেকটি মোবাইল ব্যাংক অ্যাপ গুলোর লিংক এদের টাইটেল এ দিয়ে দিলাম।

মোবাইল ব্যাংক অ্যাপ থেকে আপনারা খুব সহজেই সব ধরণের সার্ভিস এক্সেক করতে পারবেন তাও আবার এক ক্লিক এ কোনোপ্রকার কোড ডাউনলোড করা ছারা।

Featured